নামের প্রথম অক্ষর অনুসারে মানুষের স্বভাব ও চরিত্র | First Letter of Your Name Tells Your Character - Astro Luck

Breaking

November 26, 2019

নামের প্রথম অক্ষর অনুসারে মানুষের স্বভাব ও চরিত্র | First Letter of Your Name Tells Your Character

যে সকল সংখ্যা বা অক্ষর রয়েছে তারই মধ্যে নিহিত আছে মনোব জীবনের কিছু রহস্য, কিছু বিশেষ কথা। এই অক্ষর কে ঠিকঠাক বিচার করে মনোব জীবনের স্বভাব ও চরিত্র নিচে আলোচনা করা হলো।

নামের প্রথম অক্ষর A হলে - এই অক্ষরের লোকেরা উচ্চ আদর্শ চলতে পছন্দ করে। এরা অত্যন্ত দৃঢ় স্বভাবের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ইচ্ছা শক্তি প্রবল ভাব থাকবে। এই সব লোকেরা খুবই সরল প্রকৃতির হয়ে থাকে। যে কোনো কাজ অনেক চিন্তা ভাবনা করে তবেই হতে নিয়ে থাকে। এরা বাস্তব অবস্থাকে সহজ মেনে নিতে পারে। এদের চরিত্র হবে অত্যন্ত সরল ও অতি সহজে সকলকে আপন করে নিতে পারেন।

নামের প্রথম অক্ষর B হলে - এই অক্ষরের লোকেরা শান্ত স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা নিজেদের ভাবনা চিন্তাকে বাইরে প্রকাশ করে না। এরা নিজেদের লক্ষের ওপর ভরপুর বিশ্বাস রাখে। এদের বিভিন্য পথে অভিজ্ঞাতা থাকা সত্ত্বেও এরা নিজেদের লক্ষের থেকে এক ফোটাও সরে না এবং সেই লক্ষে এগিয়ে যায় ও সফলতা অর্জন করে। এই অক্ষরের লোকেরা অপরিচিত লোকের কাছে অসস্থি বোধ করে। এরা নিজের পরিবেশের থেকে অন্য পরিবেশে গিয়ে স্বাছন্দ বোধ করে না। সারা জীবন একই পরিবেশে থাকতে এরা পছন্দ করে।

নামের প্রথম অক্ষর C হলে - এই অক্ষরের জাতক বা জাতিকারা অত্যন্ত কর্মঠ প্রকৃতির হয়ে থাকে। কাজ ছারা অবসর দিন যাপন এরা পছন্দ করে না। এদের মধ্যে সবসময় কিছু কাজ করার মানসিকতা লক্ষ্য করা যায়। বাইরে থেকে এদের চঞ্চল মনে হলেও আসলে এরা চঞ্চল নয়। 

নামের প্রথম অক্ষর D হলে - যে সকল ব্যক্তির নামের প্রথম অক্ষর D দিয়ে শুরু হয় তারা ধীর ,স্থির ও নরম স্বভাবের হয়ে থাকে। অনেক চিন্তা ভাবনা করে এরা যেকোনো কাজে অগ্রসর হয়। এদের মধ্যে  সহ্য ক্ষমতা থাকবে অপরিসীম। কয়েকজন কাছের মানুষ ছাড়া এদের মনের কথা বাইরে থেকে কেউ জানতে পারে না। এদের মধ্যে আত্মসর্মান বোধ থাকবে অপরিসীম। এরা প্রচুর পরিশ্রম করতে পারে। এদের উচ্চাকাঙ্খা থাকবে প্রচুর। 

নামের প্রথম অক্ষর E হলে - এই অক্ষরের ব্যক্তিরা আধ্যাত্মিক , মানসিক ও বাস্তবিক ভাবনার উপরে ভিত্তি করে কাজ কর্ম করে থাকে। এরা অতি সহজেই সমস্যা কাটিয়ে কর্ম পথে এগিয়ে চলে। এই জাতক বা জাতিকারা বিভিন্ন ধরনের , বিভিন্ন মানসিকতার লোকের সাথে মেলামেশা করতে পছন্দ করে। এরা অতীতে তুলনায় ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে বেশি ভালোবাসে। 

নামের প্রথম অক্ষর F হলে - এই অক্ষরটিকে স্নেহ প্রীতি, মায়া - মমতা ও ভালোবাসা চিহ্ন বলা হয়। এই অক্ষরের জাতক জাতিকারা সুদৃঢ় মানসিকতার হয়ে থাকে। এরা সেভাবে শান্ত ও গম্ভীর প্রকৃতির হয়ে থাকে। সেই কারণে দুঃসময়ে এদের মাথা ঠান্ডা থাকে। সবার সাথে শান্ত আচরণ করে। এরা সর্বদা সুখী জীবন লাভ করতে চায়। 

নামের প্রথম অক্ষর G হলে - এই অক্ষরের নামের ব্যক্তিরা অসম্ভব মানসিক শক্তির অধিকারী হয়ে থাকে। এরা যদি মনেকরে কোনো কাজ করবে, তবে যেকরেই হোক সেই কাজ করতে সচেষ্ট হয়। এরা সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এর ফলে এরা সহজে জীবনে সাফল্য লাভ করে। নিজের সমালোচনা করা ও নিজের নাম বলা এদের একটি বৈশিষ্ট। এরা সঠিক চিন্তাধারায় কাজ করেবলে এদের কাজে ভুল কম হবে। 

নামের প্রথম অক্ষর H হলে - এই অক্ষরের নামের ব্যক্তিরা শান্ত স্বভাবের ও আত্মকেন্দ্রিক মানসিকতার হয়ে থাকে। এরা সর্বদা নিজের ভালো খারাম নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে থাকে। এদের মধ্যে নিজের জাতি , পরিবার বা সমাজ সম্বন্ধ্যে গর্ভ লক্ষ্য করা যায়।  জীবনের সমস্যা সম্পর্কে একটা উদার দৃষ্টিভঙ্গি এদের মধ্যে বিরাজ করে। এরা সেভাবে রুক্ষ প্রকৃতির হবার  ফলে এদের মনে ভালোবাসা , স্নেহা থাকলেও লোকে সেটা বুঝতে পারে না। 

নামের প্রথম অক্ষর  I  হলে -  যে সকল লোকেদের নামের প্রথম অক্ষর  I  তারা খুব আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকে। এরা বলিষ্ঠ ও সচেতন সভাবের হয়ে থাকে। কর্মে গতিশীল ভাব আন্তে সর্বদা সচেষ্ট থাকে। জীবনে প্রতিটি পদক্ষেপে এরা সফলতা পছন্দ করে। অনেকে এদের মতের বিরোধীতা হয়ে থাকে। এরা  আইন বিদ্যায় পারদর্শী হয়ে থাকে , সাথে নতুন আইন নির্মাণের ক্ষমতা এদের থাকে।  

নামের প্রথম অক্ষর  J হলে -  এই অক্ষরের ব্যক্তিদের মধ্যে সৃষ্টিশীল ক্ষমতা ও বহু প্রতিভা থাকে। এরা সর্বদা যুক্তি দিয়ে কথা বলে এবং কোনো কিছু নিয়ে দুইবার দুই রকম ভাবে চিন্তা-ভাবনা করে। এরা জীবনে  নতুন নতুন বন্ধু বা সহকর্মী পেয়ে থাকে। কোনো নতুন ধারণা বা বিষয় মাথায় এলে প্রথাকে সেটিকে নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে এবং পরে সেটিকে কাজে লাগে। 

নামের প্রথম অক্ষর  K হলে -  এই অক্ষরের জাতক বা জাতিকাদের প্রধান বৈশিষ্ট এরা খোলামেলা সভাবের হয়ে থাকে। এরা কর্তব্য পরায়ণ ও কর্মের দিক থেকে পরিশ্রমী হয়ে থাকে। এই অক্ষরের ব্যক্তিরা সহানুভূতিশীল ও কল্পনা প্রবল হয়ে থাকে। এদের কাজকর্ম ও চিন্তাভাবনার দিকে মৌলিকতা লক্ষ্য করা যায় তবে কখনো কখনো হটাৎ ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে। 

নামের প্রথম অক্ষর  L হলে -  এই অক্ষরের জাতক বা জাতিকারা সর্বদা বাস্তব বুদ্ধি দ্বারা জীবনকে বিচার করে। এরা আবেগপ্রবণ হলেও কখনোই তা অপরের সামনে প্রকাশ করে না। এরা অত্যান্ত বুদ্ধিমান হয়েথাকে। যে কারণে এদের জীবনে বিভিন্ন রকমের সমস্যা আসলেও বুদ্ধির দ্বারা সমস্যার থেকে মুক্তি লাভ করে থাকে। 

নামের প্রথম অক্ষর  M  হলে - যেসব জাতক বা জাতিকার নামের আদ্যাক্ষর M দিয়ে তাদের স্মৃতিশক্তি প্রবল হয়ে থাকে। কোনো কথা এরা সহজে বিশ্বাস করে না। সব কাজে এরা হিসাব করে চলে। এদের মধ্যে কতগুলি ধারণা কাজ করে। 

নামের প্রথম অক্ষর  N  হলে - এই নামের ব্যক্তিদের চিন্তা শক্তি খুবই গভীর হয়।  এদের জীবনে উত্থান-পতন লেগেই থাকে। জীবনে সাফল্য ও ব্যর্থতার পরিমান থাকে সমান। এদের চিন্তাভাবনার মধ্যে গঠনমূলক দৃষ্টি লেখা করা যায়। এরা কিছুটা আবেগের  বশবর্তী হয়ে কাজকর্ম করে থাকে। এদের মধ্যে আত্মঅহংকার লেখা করা যায়। 

নামের প্রথম অক্ষর  O  হলে -  এই অক্ষরের ব্যক্তিদের মধ্যে অন্য ব্যক্তিকে আকৃষ্ট করার ক্ষমতা লক্ষ্য করা যায়। এরা নিজেকে স্বয়ং সম্পূর্ণ মনে করে এবং নিজের ভাবনাকে গোপন রাখে। এরা সন্দর্য প্রিয়া হয়েথাকে। মাঝে মাঝে এরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে থাকে। অন্যের দুঃখকাষ্ঠের চেয়ে নিজের দুঃখ কষ্টকে বড় বলে মনে করে। 

নামের প্রথম অক্ষর  P  হলে - এই অক্ষরের জাতক বা জাতিকারা অন্তর্মুখী চরিত্রের হয়ে থাকে। নিজের ভাবনাচিন্তা অন্যকে জানাতে পছন্দ করে না। এরা শান্ত সভাবের হাওয়া সত্ত্বেও সকালে এদের পছন্দ করে। এরা দৃঢ় মানসিকতার হয়ে থাকে। উপযুক্ত যুক্তি তর্ক ছাড়া এদের উপরে কেউ প্রভাব বিস্তার করতে পারে না। 

নামের প্রথম অক্ষর  Q  হলে -  এই অক্ষরের জাতক বা জাতিকারা সর্বদা নিদিষ্ট একটি লক্ষ্য মাত্রা নিয়ে এগিয়ে চলে। বিপদের সময় মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করে। এরা অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ করে নিজের চিন্তাভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একই সুনাম অর্জন করে থাকে।  

নামের প্রথম অক্ষর  R  হলে -  যে সকল জাতক বা জাতিকারা R অক্ষরের, তারা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকে। এরা সবসময় অপরের মঙ্গল কামনা করে থাকে। এরা সকল ব্যাপারে যুক্তি দিয়ে অপরকে উপদেশ দিতে পছন্দ করে , কিন্তু নিজের ব্যাপারে যুক্তির ধারধরে না। সর্বদা ঝামেলা ঝঞ্ঝাট এড়িয়ে যেতে পছন্দ করে। এরা নিজের দেশ ও জাতিকে ভীষণ ভাবে ভালোবাসে। এই অক্ষরের ব্যক্তিরা অন্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে। 

নামের প্রথম অক্ষর  S  হলে -  এই নামের অক্ষরের জাতক বা জাতিকারা অপরের জীবন ও ভাবধারা সম্বন্ধে পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করে থাকে। এদের  বন্ধু ভাগ্য ভালো হয়। এরা কাজকর্ম করে অনেক চিন্তা ভাবনা করে। এবং কখন কখন কর্মে ক্ষতি লাভ করে থাকে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে হিসাব করে সঠিক ভাবে চলতে ভালোবাসে।    

নামের প্রথম অক্ষর  T  হলে - এই নামের আদ্যাক্ষরের প্রধান বৈশিষ্ট নির্স্বাথ মনোভাব। এরা নিজের সুনামের ভাগ অন্যকে দিতে দ্বিধাবোধ করে না। এই জাতক বা জাতিকারা সর্বদা সকালের মঙ্গল কামনা করে এবং সকলকে ভালোবাসে। অন্যকে সঠিক লক্ষ্যপথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহযগিতা করে। এদের মধ্যে আদর্শ্য ও আধ্যাত্বিক ভাব দেখা যায়। এরা কোনো সৃষ্টিশীল কাজে মনোনিবেশ করলে কৃতিত্ব অর্জন করতে পারে।  

নামের প্রথম অক্ষর  U  হলে - যাদের নামের প্রথম অক্ষর  U তারা সর্বদা নতুন কিছু করতে চায়। এরা খোলামেলা সভাবের হয়। কর্মে নিষ্ঠাবান ও সত্য সম্বন্ধ্যে এরা সর্বদা জানতে আগ্রহী থাকে। এদের মধ্যে কল্পনা শক্তি প্রচুর থাকে। এরা কোনো ছোট কাজের মধ্যে আটকিয়ে থাকতে চায় না। 

নামের প্রথম অক্ষর  V  হলে -  এই অক্ষরের প্রধান বৈশিষ্ট সর্বদা আদর্শ মেনে চলা। এই অক্ষরের জাতক বা জাতিকারা জীবনের বিভিন্য ক্ষেত্রথেকে জ্ঞান অর্জন করে থাকে। এই জ্ঞানকে এরা বাস্তবে সঠিক সময় কাজে লাগিয়ে কৃতিত্ব অর্জন করে। এরা উদার মনের হয় এবং জীবনে সফলতা লাভ করে। জীবনের উচ্চ স্থান অধিকার কারবার মত ক্ষমতা এদের থাকে।  

নামের প্রথম অক্ষর  W  হলে -  এই অক্ষরে ব্যক্তিরা সবসময় বড় বড় সকল বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে পছন্দ করে। এরা খুব কৌতূহলী সভাবের হয়ে থাকে। জীবনে বিরাট ঝুঁকি নিতে পস্তুত থাকে। জীবনকে নিত্য নতুন ভাবে উপভোগ করতে  চায়। এরা অতি সহজে জীবনের সমস্থ বিপদ থেকে মুক্ত হয়।  

নামের প্রথম অক্ষর  X  হলে - এই আদ্যাক্ষর নামের ব্যক্তিরা অত্যন্ত চাপা সভাবের হয়ে থাকে। এরা সবসময় একা  থাকতে পছন্দ করে এবং লোকজনকে এড়িয়ে চলে। তাই এই কারণে এদের প্রকৃত বন্ধু কম থাকে। এদের ধর্মের প্রতি ভালোবাসা লক্ষ করা যায়।    


নামের প্রথম অক্ষর  Y  হলে -  যেসকল ব্যক্তি  Y  অদ্যাক্ষরের হয় তারা নরম সভাবের হয়ে থাকে।  এরা হবে শান্ত ও দৃঢ় মানসিক শক্তির অদিকারী হয়ে থাকে। এরা নিয়ম ও নিষ্ঠার সাথে কাজকরতে ভালোবাসে। কিন্তু নিজের কাজের চেয়ে অন্যের কাজে সাহায্য করতে বেশি ব্যাস্ত থাকে। 



*** নামের আদ্যাক্ষর অনুসারে উপরন্ত বিচার বেরোলো সেটি সম্পূর্ণ্য ভবিষ্যৎবাণী হিসাবে ধরা উচিত নয়। এই বিচার ৩০% থেকে ৪০% ধরা উচিত। আসল বিচার জাতক জাতিকার জন্ম কুণ্ডলী বিচার করে যেনে নেয়া উচিত তার সাথে আদ্যাক্ষর বিচার জানা উচিত। 

No comments:

Post a Comment